০৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেঘনার ভাঙনে হুমকিতে শতাধিক পরিবার, পাশে দাঁড়ালেন এমপি আব্দুল মান্নান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় ০৭:৪৮:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩০ সময় ভিউ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং ও দরিলাপাং এলাকায় মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শতাধিক পরিবার চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নদীভাঙনে বসতবাড়ি, মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। এ সময় তিনি ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে মেঘনা নদীর ভাঙনের ভয়াবহতার খবর পেয়ে তিনি চরলাপাং ও দরিলাপাং এলাকায় ছুটে যান। পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঝুঁকিতে থাকা বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। ভাঙন আরও তীব্র হলে বহু পরিবার নিজেদের বসতভিটা হারাতে পারে। পাশাপাশি এলাকার ধর্মীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের বসতভিটা ও সহায়-সম্বল হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এমপি আব্দুল মান্নান কুমিল্লা অঞ্চলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়কের মুঠোফোনে কথা বলে নদীভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, “মেঘনা নদীর ভাঙনে চরলাপাং ও দরিলাপাং এলাকার মানুষ যে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মানুষের বসতবাড়ি, মসজিদ-মাদ্রাসা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছি। নদীভাঙনের কারণে যেন মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে অসহায় হয়ে না পড়ে, সে জন্য আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে কাজ করব।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম হোসেন খান টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু ও মো. দেলোয়ার হোসেন সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম আমির, পৌর বিএনপির সিনিয়র সভাপতি হাসিবুল হাদিস শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শুক্কুর খান, সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান দুলাল এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাবেদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগ :
a>
লেখক সম্পর্কে তথ্য

Pial Riaz

জনপ্রিয়

মেঘনার ভাঙনে হুমকিতে শতাধিক পরিবার, পাশে দাঁড়ালেন এমপি আব্দুল মান্নান

মেঘনার ভাঙনে হুমকিতে শতাধিক পরিবার, পাশে দাঁড়ালেন এমপি আব্দুল মান্নান

প্রকাশের সময় ০৭:৪৮:০৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়নের চরলাপাং ও দরিলাপাং এলাকায় মেঘনা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শতাধিক পরিবার চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। নদীভাঙনে বসতবাড়ি, মসজিদ ও মাদ্রাসাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হুমকির মুখে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। এমন পরিস্থিতিতে ভাঙনকবলিত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান। এ সময় তিনি ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকালে মেঘনা নদীর ভাঙনের ভয়াবহতার খবর পেয়ে তিনি চরলাপাং ও দরিলাপাং এলাকায় ছুটে যান। পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙনের বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং ঝুঁকিতে থাকা বসতবাড়ি, মসজিদ, মাদ্রাসা ও আশপাশের এলাকার সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে শতাধিক পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। ভাঙন আরও তীব্র হলে বহু পরিবার নিজেদের বসতভিটা হারাতে পারে। পাশাপাশি এলাকার ধর্মীয় ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের বসতভিটা ও সহায়-সম্বল হারানোর শঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন নদীতীরবর্তী বাসিন্দারা।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় এমপি আব্দুল মান্নান কুমিল্লা অঞ্চলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়কের মুঠোফোনে কথা বলে নদীভাঙন রোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এমপি অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান বলেন, “মেঘনা নদীর ভাঙনে চরলাপাং ও দরিলাপাং এলাকার মানুষ যে ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। মানুষের বসতবাড়ি, মসজিদ-মাদ্রাসা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছি। নদীভাঙনের কারণে যেন মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে অসহায় হয়ে না পড়ে, সে জন্য আমরা প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে কাজ করব।”

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম হোসেন খান টিটু, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ হোসেন রাজু ও মো. দেলোয়ার হোসেন সোহেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আমিরুল ইসলাম আমির, পৌর বিএনপির সিনিয়র সভাপতি হাসিবুল হাদিস শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শুক্কুর খান, সহসভাপতি দেলোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান দুলাল এবং উপজেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক জাবেদুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।