ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিদ্যাকুট বড়বাড়ি এলাকায় দুই দিন নিখোঁজ থাকার পর শিশু মিমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মান্নান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিহত মিমের বাড়ি উপজেলার বিদ্যাকুট গ্রামে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন এমপি আব্দুল মান্নান। এ সময় তিনি শোকাহত স্বজনদের সান্ত্বনা দেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং মিমের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন।
ঘটনাটিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে এমপি আব্দুল মান্নান নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি মিমের মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে দ্রুত তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এসময় এমপি আব্দুল মান্নান বলেন, “একটি নিষ্পাপ শিশুর এমন মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করতে হবে। যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।”
তিনি বলেন, মিমের পরিবারের প্রতি শুধু সমবেদনা জানানো নয়, তাদের দুর্দিনে পাশে থাকাও দায়িত্বের অংশ। এ সময় তিনি নিহত মিমের বাবা মিজান মিয়ার কর্মসংস্থানের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আশ্বাস দেন। পরিবারের আর্থিক সংকট দূর করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত ২১ সেপ্টেম্বর বিকেলে নবীনগরের বিদ্যাকুট বড়বাড়ি এলাকার বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের ঝোপঝাড় থেকে মিম (৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুই দিন ধরে নিখোঁজ ছিল শিশুটি। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। পরে পুকুরপাড়ের ঝোপঝাড়ে শিশুটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পরিবারকে খবর দেন।
খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে কীভাবে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত—তা এখনো তদন্তাধীন। ময়নাতদন্ত ও তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন সোহেল,উপজেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মহী উদ্দিন আহামেদ মহীন,ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ,যুবদল নেতা মঞ্জুরুল আলম মজনু সহ আরো অনেকেই।
চৌধুরী মো. শরীফ উদ্দিন রনি 













