০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশে বসে পদত্যাগ করলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি

  • প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশের সময় ০৬:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩৩ সময় ভিউ

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেছেন। এক বছর ধরে তিনি বিচার কাজের বাইরে ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের দপ্তর ও আইন মন্ত্রণালয়ের তার পদত্যাগপত্রটি ই-মেইলে এসেছে। তিনি বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই তার পদত্যাগপত্রটি পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, বিনা ছুটিতে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনি। তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে একটি তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল।

এর আগে রাষ্ট্রপতি একই কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের আরও তিনজন বিচারপতিকে অপসারণ করেছিলেন।

২০২৪ সালে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের পর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিক পর্যায়ে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। সেই ১২ জনের মধ্যে ৯ জন বিচারপতি এখন আর দায়িত্বে নেই। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের পর বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন, কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, আবার কেউ স্বাভাবিক অবসরে গেছেন। বর্তমানে বাকি তিন জন বিচারপতি পদে বহাল থাকলেও কোনো বেঞ্চের দায়িত্বে নেই।

সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল হওয়ায় চলতি মাসে বিচারপতি এম আর হাসানকেও ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছুটিতে থাকা মোট ১৩ বিচারপতির বাইরে আরও যে দুই জন বিচারপতি স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন, তাদেরই একজন ছিলেন বিচারপতি মামনুন রহমান।

ট্যাগ :
a>
লেখক সম্পর্কে তথ্য

Weekly Nabinagar

জনপ্রিয়

আমি এমপি থাকা পর্যন্ত নবীনগরে সংখ্যালঘু শব্দ থাকবে না’: আব্দুল মান্নান

বিদেশে বসে পদত্যাগ করলেন হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি

প্রকাশের সময় ০৬:৩৫:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামনুন রহমান পদত্যাগ করেছেন। এক বছর ধরে তিনি বিচার কাজের বাইরে ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের দপ্তর ও আইন মন্ত্রণালয়ের তার পদত্যাগপত্রটি ই-মেইলে এসেছে। তিনি বর্তমানে কানাডায় অবস্থান করছেন এবং সেখান থেকেই তার পদত্যাগপত্রটি পাঠিয়েছেন।

জানা গেছে, বিনা ছুটিতে দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত তিনি। তার বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ও কর্মস্থলে অনুপস্থিতির বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে একটি তদন্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল।

এর আগে রাষ্ট্রপতি একই কাউন্সিলের সুপারিশের ভিত্তিতে হাইকোর্ট বিভাগের আরও তিনজন বিচারপতিকে অপসারণ করেছিলেন।

২০২৪ সালে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের পর হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে প্রাথমিক পর্যায়ে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল। সেই ১২ জনের মধ্যে ৯ জন বিচারপতি এখন আর দায়িত্বে নেই। তাদের মধ্যে কেউ কেউ সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের তদন্তের পর বাধ্যতামূলক অবসরে গেছেন, কেউ স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন, আবার কেউ স্বাভাবিক অবসরে গেছেন। বর্তমানে বাকি তিন জন বিচারপতি পদে বহাল থাকলেও কোনো বেঞ্চের দায়িত্বে নেই।

সম্প্রতি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ দাখিল হওয়ায় চলতি মাসে বিচারপতি এম আর হাসানকেও ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। ছুটিতে থাকা মোট ১৩ বিচারপতির বাইরে আরও যে দুই জন বিচারপতি স্বেচ্ছায় কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন, তাদেরই একজন ছিলেন বিচারপতি মামনুন রহমান।