১২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের হুমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না গাজাবাসী

  • থিমস বিক্রি
  • প্রকাশের সময় ০৬:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৮ সময় ভিউ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জনগণকে হুমকি দিয়েছেন। বুধবার রাতে তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, যদি বন্দিদের আটক রাখে, তবে তারা সবাই মারা যাবে। তবে ট্রাম্পের এ হুমকিকে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না গাজাবাসী। তারা বলছেন- তাদের হারানো আর কিছুই নেই।

গাজার এক ব্যবসায়ী ৫৯ বছর বয়সি ইয়াসির আল-শারাফা আল জাজিরাকে বলেন, আমি এসব হুমকিকে ভয় পাই না। কারণ গাজার অনেক মানুষের মতো আমিও বিশ্বাস করি- আমার হারানোর কিছুই নেই।

তিনি বলেন, আগে পোশাক ব্যবসায়ী ছিলাম। আমার একটি বড় দোকান, ছয়তলা একটি ভবন, একটি গাড়ি, এবং গাজা সিটির তেল আল-হাওয়ায় স্টক রাখার জন্য গুদাম ছিল। বছরের পর বছরের কঠোর পরিশ্রম এসব করেছিলাম। এখন ধ্বংস হয়ে গেছে, যুদ্ধ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। যেদিকেই তাকাই, কেবল ধ্বংস, ধ্বংসাবশেষ আর দুর্দশা। আমাদের শোক করার মতো আর কিছু বাকি আছে কি? আমি এখন শিশুদের জন্য ক্যান্ডি ও স্ন্যাকস বিক্রি করি।

যুদ্ধের সময় দক্ষিণে বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর, আল-শারাফা ও তার পরিবার যুদ্ধবিরতি শুরু হলে উত্তরে ফিরে আসেন, কিন্তু সেখানে এসে দেখেন এক বিধ্বস্ত এলাকা, যেখানে জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব। তিনি বলেন, যদি আমরা বন্দিদের হস্তান্তর করি, তবুও কিছুই বদলাবে না। তারা নতুন অজুহাত তৈরি করে যে কোনো সময় যুদ্ধ আবার শুরু করতে পারে। আমরা পুরো বিশ্ব থেকেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি।

ট্যাগ :
a>
লেখক সম্পর্কে তথ্য

Weekly Nabinagar

‘গোল্ডেন’ জমানায় আমাদের রেজাল্টপুরী: পরচর্চা, জিপিএ-৫ এর বন্যা ও শিক্ষামান

ট্রাম্পের হুমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না গাজাবাসী

প্রকাশের সময় ০৬:০৪:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজার জনগণকে হুমকি দিয়েছেন। বুধবার রাতে তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, যদি বন্দিদের আটক রাখে, তবে তারা সবাই মারা যাবে। তবে ট্রাম্পের এ হুমকিকে কোনো পাত্তা দিচ্ছে না গাজাবাসী। তারা বলছেন- তাদের হারানো আর কিছুই নেই।

গাজার এক ব্যবসায়ী ৫৯ বছর বয়সি ইয়াসির আল-শারাফা আল জাজিরাকে বলেন, আমি এসব হুমকিকে ভয় পাই না। কারণ গাজার অনেক মানুষের মতো আমিও বিশ্বাস করি- আমার হারানোর কিছুই নেই।

তিনি বলেন, আগে পোশাক ব্যবসায়ী ছিলাম। আমার একটি বড় দোকান, ছয়তলা একটি ভবন, একটি গাড়ি, এবং গাজা সিটির তেল আল-হাওয়ায় স্টক রাখার জন্য গুদাম ছিল। বছরের পর বছরের কঠোর পরিশ্রম এসব করেছিলাম। এখন ধ্বংস হয়ে গেছে, যুদ্ধ সবকিছু শেষ করে দিয়েছে। যেদিকেই তাকাই, কেবল ধ্বংস, ধ্বংসাবশেষ আর দুর্দশা। আমাদের শোক করার মতো আর কিছু বাকি আছে কি? আমি এখন শিশুদের জন্য ক্যান্ডি ও স্ন্যাকস বিক্রি করি।

যুদ্ধের সময় দক্ষিণে বাস্তুচ্যুত হওয়ার পর, আল-শারাফা ও তার পরিবার যুদ্ধবিরতি শুরু হলে উত্তরে ফিরে আসেন, কিন্তু সেখানে এসে দেখেন এক বিধ্বস্ত এলাকা, যেখানে জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব। তিনি বলেন, যদি আমরা বন্দিদের হস্তান্তর করি, তবুও কিছুই বদলাবে না। তারা নতুন অজুহাত তৈরি করে যে কোনো সময় যুদ্ধ আবার শুরু করতে পারে। আমরা পুরো বিশ্ব থেকেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছি।