১
বাংলাদেশে এসএসসি বা এইচএসসি রেজাল্ট প্রকাশের দিনটিকে ঈদ বা পূজার চেয়েও বড় জাতীয় মহোৎসব বললে মোটেও বাড়িয়ে বলা হবে না। ঈদের দিনেও হয়তো দু-একজন নিভৃতচারী সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে পারেন, কিন্তু রেজাল্ট প্রকাশের দিনে সেই সুযোগ নেই। পাশের বাড়ির কৌতূহলী আন্টি থেকে শুরু করে বহু বছর নিখোঁজ থাকা দূর-সম্পর্কের কোনো আত্মীয়—সবার আকস্মিক আবির্ভাব ঘটে এই বিশেষ দিনটিতে। উদ্দেশ্য একটাই: জিপিএ-৫ পাওয়া গেল কি না, আর না পেলে একটু সহানুভূতি মেশানো খোঁচা মারা!
অথচ, একই ভূখণ্ডে বাস করে সম্পূর্ণ ভিন্ন গ্রহের অভিজ্ঞতা অর্জন করে আমাদের ‘ও লেভেল’ ও ‘এ লেভেল’ পরীক্ষার্থীরা।
ক্যামব্রিজ (CAIE) কিংবা এডেক্সেল (Pearson Edexcel) বোর্ডের অধীনে বিশ্বের বহু দেশে বছরজুড়ে কয়েকবার পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু কোনোদিন কি শুনেছেন লন্ডন, ঢাকা বা করাচিতে প্রেস ক্লাব ডেকে মহাদম্ভে ঘোষণা করা হলো—”অমুক ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল থেকে পাশের হার ৯৯%!” কিংবা জাতীয় পত্রিকার প্রথম পাতায় বিশাল শিরোনাম—”এবারো পাশের হারে রেকর্ড গড়ল ফ্যান্টাসি টিউটোরিয়াল”?
এমনটা কখনোই ঘটে না। কারণ, আন্তর্জাতিক শিক্ষা বোর্ডগুলো রেজাল্টকে কোনো ট্রফি বা বাজারি বিজ্ঞাপনের উপাদান মনে করে না; তারা এটাকে দেখে শিক্ষার্থীর একান্ত ‘ব্যক্তিগত অর্জন’ (Personal Achievement) হিসেবে। রেজাল্ট যায় সরাসরি পরীক্ষার্থী ও তার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কাছে, কোনো উন্মুক্ত তামাশা বা র্যাঙ্কিংয়ের উৎসব বানানোর জন্য নয়।
আমাদের জাতীয় শিক্ষাক্রমের ‘এসএসসি’ (SSC) পরীক্ষা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলের ‘ও লেভেল’ (O-Level) পরীক্ষাকে কাগজে-কলমে সমমান ধরা হলেও, বাস্তবে এদের মধ্যকার তফাতটা আকাশ আর পাতালের: ও লেভেলে মুখস্থবিদ্যার চেয়ে শিক্ষার্থীর বিশ্লেষণাত্মক দক্ষতা (Analytical Skills) ও ধারণাগত স্পষ্টতা (Conceptual Clarity) পরীক্ষা করা হয়। অন্যদিকে, আমাদের এসএসসি পরীক্ষায় অনেক ক্ষেত্রেই বাঁধাধরা সাজেশন আর মুখস্থনির্ভর প্রশ্নের উত্তর দিয়ে জিপিএ-৫ তুলে ফেলা সম্ভব হয়।
ও লেভেলের ফলাফল অত্যন্ত গোপনীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীর হাতে পৌঁছায়। ফলে কে ‘A*’ পেল আর কে পেল না, তা নিয়ে পাড়া-মহল্লায় মিষ্টি বিতরণের প্রতিযোগিতা কিংবা অন্যকে ছোট করার সংস্কৃতি তৈরি হয় না। অন্যদিকে, এসএসসিতে রেজাল্ট বের হওয়া মাত্রই তা বোর্ডের ওয়েবসাইট ও গণমাধ্যমে উন্মুক্ত ডেটায় পরিণত হয়।
আমাদের দেশে রেজাল্ট প্রকাশের পরদিন পত্রিকা খুললেই দেখা যায় বিভিন্ন কোচিং সেন্টার ও স্কুলের শতভাগ পাশের হারের বিশাল রঙিন বিজ্ঞাপন। ও লেভেলের আন্তর্জাতিক বোর্ডগুলো এমন সস্তা প্রতিযোগিতা বা কোনো নির্দিষ্ট স্কুলকে ‘স্টার’ বানানোর নীতি সমর্থন করে না।
মাস পর্যায়ে শিক্ষার আসল মান কোথায়?
আমাদের মূল সামাজিক ব্যাধিটি হলো—যার পরীক্ষা, তার চেয়ে অন্যদের মাতামাতি বহু গুণ বেশি! রেজাল্ট বের হওয়া মাত্রই শুরু হয় ‘গোল্ডেন এ প্লাস’-এর জাঁকজমক। কার ছেলে বা মেয়ে কয়টা সাবজেক্টে প্লাস পেল, তা দিয়ে নির্ধারণ করা হয় পরিবারের সামাজিক স্ট্যাটাস। কিন্তু এই উন্মাদনার আড়ালে শিক্ষার প্রকৃত মান ঢাকা পড়ে যায়।
জাতীয় পর্যায়ে পাশের হার এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা যত বাড়ে, শিক্ষার আসল মান ততটাই নিম্নমুখী হয়। প্রতি বছর লাখে লাখে পরীক্ষার্থী সর্বোচ্চ গ্রেড পেয়ে বের হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ জ্ঞান, ব্যবহারিক দক্ষতা বা ভাষা জ্ঞানে তাদের দৈনদশাই ফুটে ওঠে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষায় যখন জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ন্যূনতম পাশের নম্বরটুকুও তুলতে পারে না, তখন স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে আমরা আসলে একটি ‘নম্বরস্ফীতি’ (Grade Inflation)-র গোলকধাঁধায় বন্দি হয়ে আছি।
প্রচারবিমুখ ও/এ লেভেলের শিক্ষার্থীরা যখন নীরবে নিজেদের মূল্যায়ন গ্রহণ করে বিশ্বমঞ্চে বা শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জায়গা করে নেয়, আমাদের শিক্ষা বোর্ডগুলো তখন ব্যস্ত থাকে ‘গতবারের চেয়ে এবার পাশের হার কত পার্সেন্ট বাড়ল’ সেই কৃত্রিম ডেটা প্রদর্শনে।
শিক্ষা যদি আত্মউন্নয়ন ও জ্ঞানার্জনের মাধ্যম না হয়ে সামাজিক প্রদর্শনীবস্তু ও পরচর্চার হাতিয়ার হয়, তবে আমাদের রেজাল্ট শিট রঙিন থেকে রঙিনতর হবে ঠিকই, কিন্তু শিক্ষার আসল মানটা রয়ে যাবে সেই অন্ধকারেই।
২
আমাদের অভিভাবক সমাজে একটি প্রবাদ যুগ যুগ ধরে স্বর্ণাক্ষরে লেখা আছে—”পড়াশোনা করে যে, গাড়ি-ঘোড়া চড়ে সে।” তবে আধুনিক যুগে বাক্যটি একটু বদলে দাঁড়িয়েছে—”নম্বর পায় যে, ফেসবুকে ছবি ওঠে তার।” সন্তান কতটুকু শিখল, সেটা জানার আগ্রহ কারও নেই। আসল আকর্ষণ হলো রিপোর্ট কার্ডের লাল কালির সংখ্যা আর জিপিএ-৫-এর চকচকে টিনসেল। জিপিএ-৫ না পেলে যেন সমাজে মুখ দেখানো দায়, আত্মীয়দের ওয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মাথা নিচু করে থাকতে হয়।
এই জেনুইন অভিভাবকীয় ফ্যান্টাসিকে পুঁজি করে বাজারে আবির্ভাব ঘটেছিল ‘রেজাল্ট তৈরির কারিগরদের’—যাদের সাধারণ ভাষায় আমরা বলি কোচিং সেন্টার। একসময় অফলাইনে ব্ল্যাকবোর্ড আর ডাস্টার হাতে যেসব ‘দাদা ভাইয়া’দের রাজত্ব ছিল, তারা বাচ্চাদের জন্মগত প্রতিভা রিফাইনিং করে পুরো ক্রেডিট নিজেদের নামে পেটেন্ট করিয়ে নিত। লিফলেট আর পোস্টারে হাস্যোজ্জ্বল বাচ্চাদের ছবি টাঙিয়ে লেখা হতো—”আমাদের সেরা সাফল্য!” যেন বাচ্চাটি ঘরে ঘুমিয়ে ছিল, আর কোচিং সেন্টারের সিঁড়ি ডিঙানো মাত্রই তার মাথায় এ প্লাসের স্বর্গীয় আলো নেমে এসেছে।
কালক্রমে এই ব্যবসা আর শুধু মহল্লার গলিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি এখন পুরোদস্তুর ‘কর্পোরেট হাঙ্গার গেমস’। অফলাইনের ভাইয়ারা এখন ফোর-কে ক্যামেরা আর ডিজিটাল বোর্ডে প্রমোশন চালান, আর অফলাইনে গড়ে উঠেছে আস্ত স্কুল-কলেজের চেন। জেলা পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া এই মডেলটি মূলত একটি জঘন্য রকমের সূক্ষ্ম ছক।
এই কর্পোরেট এডুকেশন মডেল কীভাবে কাজ করে? আসুন দেখে নেওয়া যাক:
মেইন ব্র্যান্ড (এ প্লাস ফ্যাক্টরি): চকমকে বিল্ডিং, এসি ক্লাসরুম আর চোখধাঁধানো বিজ্ঞাপন। অভিভাবকরা মনে করেন, এখানে বাচ্চা ঢুকলেই বোধহয় রাতারাতি আলবার্ট আইনস্টাইন হয়ে বের হবে।
শ্যাডো ব্র্যাঞ্চ (ব্যাকআপ ডাস্টবিন): আসল খেলা শুরু হয় ফর্ম ফিলাপের আগে। মেধা যাচাইয়ের নামে ছাঁটাই অভিযান চলে। যে বাচ্চাগুলো স্বমহিমায় এ প্লাস পাওয়ার যোগ্য, তাদের মূল প্রতিষ্ঠানের রোল নম্বরে রাখা হয়। আর যাদের নিয়ে সামান্য অনিশ্চয়তা আছে, তাদের অতি নিঃশব্দে পার করে দেওয়া হয় একই মালিকের দ্বিতীয় বা ‘ছায়া’ প্রতিষ্ঠানে।
মার্কেটিং ট্রিক: পরীক্ষার ফল বেরোলে মূল ব্র্যান্ডের শতভাগ পাস ও জিপিএ-৫-এর খবর পেপারের প্রথম পাতায় ছাপা হয়। আর পেছনের দরজা দিয়ে ছায়া প্রতিষ্ঠান থেকে পরীক্ষা দেওয়া দুর্বল বাচ্চাগুলোর দায়ভার এক ঝটকায় ঝেড়ে ফেলা হয়।
দিনশেষে এটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, বরং একটি দক্ষ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা। কাঁচামাল আপনি যোগান দেবেন, খরচ আপনি চালাবেন, রাত জেগে বাচ্চা খাটাখাটনি করবে আপনার ঘরে—কিন্তু ফিনিশড গুডসের গায়ে ব্র্যান্ডিংয়ের স্টিকার মারবে প্রতিষ্ঠানটি। সন্তান যদি ফেল করে বা কম নম্বর পায়, তবে দোষ আপনার বাচ্চার মেধার; আর যদি গোল্ডেন জিপিএ-৫ পায়, তবে কৃতিত্ব ‘ভাইয়া’দের ইউনিক শর্টকাট টেকনিকের!
শিক্ষাকে এই যে অ্যাসেম্বলি লাইনের ব্যবসায় পরিণত করা হলো, এর নেপথ্যে মূল ইন্ধনদাতা কিন্তু আমাদের সামাজিক ফ্যান্টাসি। আমরা নিজেদের অসমাপ্ত স্বপ্ন আর সোশ্যাল মিডিয়ার বাহবা কুড়ানোর জন্য সন্তানকে তুলে দিচ্ছি এমন এক বাণিজ্যিক চক্রে, যেখানে তাকে শুধু একটা রোল নম্বর আর প্রফিট মার্জিন হিসেবে দেখা হয়। অভিভাবক হিসেবে এখনই কি এই রঙিন ফাঁদ চিনতে পারার সময় হয়নি? আপনার সন্তানের রক্ত-ঘাম দিয়ে অর্জিত সাফল্যকে অন্যের ব্যবসার ব্র্যান্ডিং আইটেম হতে দেওয়া বন্ধ হোক। কারণ দিনশেষে, কারখানা থেকে রোবট বের হতে পারে, কিন্তু স্বাধীন চিন্তার মানুষ তৈরি হয় না।
৩
১৬৫ টাকার অভাবে কীভাবে একজন সম্ভাবনাময় তরুণ পরীক্ষার হলের দরজায় লাল বাতি দেখে পরবর্তীতে শিল্পপতিদের শীর্ষ তালিকায় পৌঁছে যেতে পারেন, তা নিয়ে আস্ত একটি সামাজিক মহাকাব্য লিখে ফেলা সম্ভব। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফি জমা দিতে না পেরে অ্যাডমিট কার্ড না পাওয়ার সেই বিষাদময় দিনে আমাদের গল্পের নায়ক বুঝেছিলেন—টাকা জিনিসটা বড্ড বেশি বাস্তববাদী। তবে ভাগ্যের চাকা ঘুরতে সময় লাগে না। পরবর্তী দুই দশকে কাপড়ের মিল, আবাসন ব্যবসা আর ঝুট বেচাকেনার দুর্গম নদী পার হয়ে তিনি যখন হাজার কোটি টাকার মালিক, তখনো মনের কোনো এক কোণে সেই পুরনো ১৬৫ টাকার ক্ষত দাবানল হয়ে জ্বলছিল।
ব্যবসার অলিগলি ঘুরে সেই শিল্পপতি অবশেষে আবিষ্কার করলেন এক মহাজাগতিক অর্থনৈতিক সত্য—শিক্ষা হলো এমন এক অনন্য বাণিজ্যিক সেক্টর, যেখানে ক্রেতা কোটি টাকা খরচ করে পণ্য কেনে এবং কোনো ত্রুটি হলে উল্টো নিজের অযোগ্যতার জন্য বিক্রেতার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে! সাবান বা রড-সিমেন্ট বিক্রি করলে গ্রাহকের অভিযোগ থাকে, গ্যারান্টি-ওয়ারেন্টি থাকে; কিন্তু ‘জ্ঞান বিক্রি’র এই বিশাল বাজারে কোনো শিক্ষার্থী ব্যর্থ হলে তার দায় পুরোটাই ক্রেতার। ফলে শিল্পপতির ধুরন্ধর মগজে রাতারাতি উদয় হলো এক অদ্ভুত ‘বাণিজ্যিক মানবতাবাদ’।
তিনি বাজার বিশ্লেষণ করে দেখলেন, ইট-পাথরের কারখানার চেয়ে ‘জিপিএ-৫ অর্জন ও সোনালী ভবিষ্যৎ’ নামক বায়বীয় স্বপ্ন বিক্রির ব্যবসায় প্রফিট মার্জিন সবচেয়ে বেশি। যেখানে কাঁচামাল বলতে কেবল চকচকে বহুতল ভবন, কিছু জাঁকজমকপূর্ণ ইংরেজি নাম আর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে তার নিজের একটা গম্ভীর ছবি। ১৬৫ টাকার জন্য পরীক্ষা দিতে না পারা সেই ক্ষুব্ধ যুবক এবার আত্মপ্রকাশ করলেন পরম দরদী ‘শিক্ষানুরাগী’ রূপে। প্রতিষ্ঠা করলেন সুবিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক স্কুল নেটওয়ার্ক।
উদ্বোধনী মঞ্চে মাইক হাতে তিনি গলার রগ ফুলিয়ে আবেগী ভাষণ দেন—”আমি একসময় টাকার অভাবে পরীক্ষা দিতে পারিনি, তাই কোনো সন্তান যেন টাকার জন্য শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়।” অথচ পেছনের ক্যাশ কাউন্টারে তখন নীরবে যুক্ত হচ্ছে ‘লাইব্রেরি উন্নয়ন ফি’, ‘এসি সার্ভিস চার্জ’, ‘ক্যাম্পাস বিউটিফিকেশন ফান্ড’ এবং ‘পুনঃভর্তি ফি’। যে মানুষটি একদা ১৬৫ টাকার অভাবে ফুটপাতে দাঁড়িয়েছিলেন, সে এখন নিখুঁতভাবে হিসেব করে দেখেছে—এক একজন শিক্ষার্থীর সেমিস্টার ফি আসলে একেকটি চার অঙ্কের ১৬৫ টাকার সমষ্টি।
অর্থনৈতিক পরিভাষায় এটাকে বলা যায় ‘দ্য ১৬৫-টাকা রিভেঞ্জ থিওরি’। এখানে শিক্ষাব্রত হলো এক মহামূল্যবান মোড়ক, যার ভেতরে সযতনে সংরক্ষিত থাকে বার্ষিক মুনাফার ব্যালেন্স শিট। প্রাচীন গুরুদক্ষিণাকে আধুনিক ডিজিটাল পেমেন্ট গেটওয়েতে রূপান্তর করে তিনি প্রমাণ করেছেন—প্রতিশোধ নেওয়ার সবচেয়ে সেরা উপায় হলো সেই পুরো ব্যবস্থাকেই কিনে ফেলা, যা একসময় আপনাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। তিনি এখন আর সাধারণ ব্যবসায়ী নন; তিনি এখন সমাজসেবক, বুদ্ধিজীবী এবং ‘শিক্ষার আলোকবর্তিকা’।
মুহম্মদ জাহিদুল হক 














